
আজ কোলো-কোলো নতুন খেলোয়াড় ভোজিনিয়াকে পরিচয় করিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে। কেপ ভার্দের গোলরক্ষক দলটিতে যোগ দেওয়ার অনুভূতি নিয়ে কথা বলেন।

কোলো-কোলো বেছে নেওয়া প্রসঙ্গে
ভোজিনিয়া: ‘সিদ্ধান্তটি খুব স্পষ্ট ছিল। আমি বড় ক্লাবের খেলোয়াড়, তাই চিলির সবচেয়ে বড় ক্লাব কোলো-কোলো যখন প্রস্তাব দিল, একটুও দ্বিধা করিনি।’
‘লিবার্তাদোরেসের প্রতিযোগিতা অত্যন্ত তীব্র, আর চিলির লিগের প্রতিদ্বন্দ্বিতাও কঠিন। এই বড় ক্লাবে এসে উঁচু মানের লিগে খেলা সবসময়ই আমার লক্ষ্য ছিল।’
কেপ ভার্দের বিশ্বকাপে পরিচিতি প্রসঙ্গে
‘বিশ্বকাপ ফুটবলের সর্বোচ্চ মানের প্রতিযোগিতা। তাই আমার ও কেপ ভার্দের জন্য অংশগ্রহণের গুরুত্ব ছিল বিরাট। আমরা বহু বছরের পরিশ্রমে এই মঞ্চে এসেছি, সেরা প্রতিপক্ষদের বিপক্ষে কেপ ভার্দের প্রতিনিধিত্ব করেছি এবং জানতাম আমাদের দলের সামর্থ্য আছে।’
‘আমাদের জন্য এটি ফুটবলের চেয়েও বেশি: আমরা একটি দৃঢ়, কখনও হাল না ছাড়া জাতির প্রতিনিধিত্ব করেছি। দেশের জন্য সেরাটা দিতে আমরা সবকিছু উজাড় করেছি।’
‘বিশ্বকাপে খেলা ছিল শৈশবের স্বপ্ন। আমি জানতাম এটি ক্যারিয়ারে অনেক সুযোগ আনতে পারে। জীবনের ও মৌসুমের পুরো সময় আমি এই মুহূর্তের প্রস্তুতি নিয়েছি। বিশ্বকাপে খেলতে পেরে কৃতজ্ঞ এবং এই সফরের সব অভিজ্ঞতাকে মূল্য দিই।’
পরবর্তী লক্ষ্য প্রসঙ্গে
‘আপনারা যে ভোজিনিয়াকে চেনেন, আমি সেই ভোজিনিয়াই থাকব—মাটিতে পা রেখে কঠোর পরিশ্রম ও প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাব, ফুটবলের জন্য অবদান রাখব, কারণ আমি ফুটবলকে সত্যিই ভালোবাসি। আমার কাছে ফুটবল সবসময় প্রথম; বাকি সব পরে।’
‘বিভিন্ন দেশ ও ক্লাবে আমার মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা ভালো ছিল। এখানেও দ্রুত মানিয়ে নিতে চাই। সুযোগ হলে পরিবারকে চিলিতে আনব, যাতে তারা স্থানীয় জীবন দেখতে পারে ও কিছুদিন থাকতে পারে; তাতে আমার থিতু হওয়া সহজ হবে।’
‘আমি পর্তুগিজ ও ইংরেজিতে বেশি স্বচ্ছন্দ, এখন স্প্যানিশ ও চিলির কথ্য ভাষা শিখছি। ফুটবল আমার কাছে চাপ নয়; আসল চাপ হলো নিজের বা পরিবারের অসুস্থতা, কিংবা খাবারের অভাব। ভক্তরা আমাদের সেরাটা চান, আর খেলোয়াড়রা প্রতিদিন কঠোর প্রস্তুতি নিয়ে ফিট থাকি। বিশ্বকাপের পরীক্ষা ছিল তীব্র, কারণ প্রতিপক্ষ ছিল বিশ্বের সেরা জাতীয় দল। এখন আমি শুধু নিষ্ঠার সঙ্গে অনুশীলন করে ক্লাবের লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করতে চাই।’
বাংলা তথ্য[0]
বাংলা তথ্য[0]